উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার গোলকধাঁধা: কেন শেষ হয় না এই অন্তহীন সংকট?

উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতা
উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার গোলকধাঁধা: কেন শেষ হয় না এই অন্তহীন সংকট? | ব্যাঙেরছাতা

উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে ঔপনিবেশিক শাসনের নিগড় ভেঙে যখন একের পর এক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হচ্ছিল, তখন বিশ্ববাসীর চোখে ছিল নতুন এক আশার আলো। প্রত্যাশা ছিল—এশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকার এই উন্নয়নশীল দেশগুলো নিজেদের বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনীতিতে সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

কিন্তু কয়েক দশক পেরিয়ে গেলেও বাস্তব চিত্রটি অত্যন্ত রূঢ়। উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতা বিষয়ে সম্প্রতি প্রখ্যাত সংবাদপত্র ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ প্রকাশিত একটি গভীর বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে একটি মৌলিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে— “উন্নয়নশীল বিশ্বে কেন অস্থিরতার অবসান হয় না?” এই প্রশ্নটি আজ কেবল কোনো তাত্ত্বিক বিতর্ক নয়, বরং এটি কোটি কোটি মানুষের যন্ত্রণাবিদ্ধ জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা।

এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অন্য আর্টিকেল পড়ুন:

২০২৬ সালের নির্বাচন ও বাংলাদেশের আগামীর পথ: উপদেষ্টাদের গোপন আতঙ্ক, ভূ-রাজনীতি এবং পর্দার আড়ালের ত্রিমুখী সংকট বিশ্লেষণ

উন্নয়নশীল দেশগুলো যখনই একটু স্থিতিশীলতার পথে হাঁটে, তখনই কোনো না কোনো অদৃশ্য শক্তি বা অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতা তাদেরকে আবার কয়েক বছর পিছিয়ে দেয়। কেন এই দেশগুলো উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছানোর আগেই বারবার মুখ থুবড়ে পড়ছে? কেন বারবার রক্তক্ষয়ী পরিবর্তন বা গণ-আন্দোলনের পরও পরিস্থিতির স্থায়ী উন্নতি হচ্ছে না? এই উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতার অসুস্থ লড়াই, ভঙ্গুর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, গভীর আর্থ-সামাজিক বৈষম্য এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ। এই নিবন্ধে আমরা সেই কারণগুলোই ব্যবচ্ছেদ করার চেষ্টা করব।

১. নির্বাচনের প্রহসন ও গণতন্ত্রের কাঠামোগত দুর্বলতা

একনজরে আর্টিকেলটির সারাংশ দেখুন: hide

উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার মূলে যে বিষবৃক্ষটি সবচেয়ে বেশি ডালপালা মেলে আছে, তা হলো একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার অনুপস্থিতি। ইত্তেফাকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই দেশগুলোতে জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া যেন এক মরুভূমির মরীচিকা।

নির্বাচনী সংস্কৃতির অবনতি:

গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো ব্যালট। কিন্তু উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার অন্যতম কারণ হতে পারে, সেইসব দেশে নির্বাচনকে অনেক সময় ক্ষমতার পরিবর্তনের হাতিয়ার না করে ক্ষমতার বৈধতা পাওয়ার একটি মেকি নাটক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যখন একটি বড় রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা জনসমষ্টিকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়, তখন সমাজে এক ধরনের রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়। এই শূন্যতাই পরবর্তী সময়ে চরমপন্থা এবং অস্থিরতার জন্ম দেয়।

ক্ষমতার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:

উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- অনেক দেশে শাসক গোষ্ঠী ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার নেশায় মত্ত থাকে। ফলে তারা সংবিধান পরিবর্তন করে বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে নিজেদের পক্ষে একতরফা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। ইত্তেফাকের ভাষায়, একটি সরকার ১০-২০ বছর দোর্দণ্ড প্রতাপে শাসন করলেও রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অবসান হয় না, বরং তা আরও গভীরে প্রোথিত হয়।

গণতান্ত্রিক মনস্তত্ত্বের অভাব:

গণতন্ত্র শুধু একটি শাসন ব্যবস্থা নয়, এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গি বা ‘State of Mind’। উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার আরেকটি কারণ- রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে এই পরিশীলিত মনস্তত্ত্বের অভাব স্পষ্ট। ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকা এবং বিরোধীদের শত্রু হিসেবে দেখার মানসিকতাই অস্থিরতার মূল উৎস।

২. রাজনৈতিক ঐক্যের অনুপস্থিতি ও প্রতিশোধের রাজনীতি

একটি রাষ্ট্র তখনই স্থিতিশীল হয় যখন সেখানে ‘জাতীয় ঐক্য ও পুনর্মিলন’ (National Unity and Reconciliation) প্রতিষ্ঠিত থাকে। কিন্তু উন্নয়নশীল উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার মূলে দেশগুলোতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন মানেই হলো আগের সরকারের ওপর প্রতিশোধ নেওয়া।

রক্তক্ষয়ী পটপরিবর্তন:

এই রাষ্ট্রগুলোতে ক্ষমতার পরিবর্তন সচরাচর শান্তিপূর্ণ উপায়ে হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাজপথের আন্দোলন বা জানমালের ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে বড় পরিবর্তন আসে। কিন্তু পরিবর্তনের পর নতুন শাসকরাও যখন সর্বজনীন ঐকমত্য গড়তে ব্যর্থ হয়, তখন সংকটের চক্রটি পুনরায় শুরু হয়।

এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অন্য আর্টিকেল পড়ুন:

প্রশাসনিক ক্যু এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচন: জনরায়ের ওপর কি এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের নীলনকশা?

বিভাজনের রাজনীতি:

উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার রাজনীতি অনেক সময় ধর্ম, গোত্র বা আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই বিভাজন সাধারণ মানুষকে একে অপরের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা ও দাঙ্গার পথ প্রশস্ত করে। রাজনৈতিক দলগুলো দেশপ্রেমের চেয়ে দলীয় স্বার্থকে বড় করে দেখায় জাতীয় সংহতি বিনষ্ট হয়।

৩. প্রাতিষ্ঠানিক ভঙ্গুরতা ও চাটুকারিতার করাল গ্রাস

রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজন মজবুত প্রতিষ্ঠান—যেমন স্বাধীন বিচার বিভাগ, দক্ষ নির্বাচন কমিশন এবং নিরপেক্ষ আমলাতন্ত্র। কিন্তু উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার আরেকটি অন্যতম কারণ হলো, দেশগুলোতে এই প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়।

মেরুদণ্ডহীন প্রতিষ্ঠান:

যখন বিচার বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি রাজনৈতিক দলের আজ্ঞাবহ হয়ে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষের আর কোনো আশ্রয়স্থল থাকে না। মানুষ যখন আইন ও বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, তখন তারা নিজের হাতে আইন তুলে নিতে চায় বা আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের পথ বেছে নেয়।

মেধার অবমূল্যায়ন ও চাটুকারিতা:

ইত্তেফাক উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার অন্যতম একটি কারণ সুন্দরভাবে উল্লেখ করেছে যে, এই দেশগুলোতে কাজ বা মেধার চেয়ে ‘স্লোগান’ ও ‘চাটুকারিতা’ বেশি গুরুত্ব পায়। মেধাবী ও দক্ষ ব্যক্তিদের সরিয়ে যখন অযোগ্য ও তোষামোদকারীদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়, তখন রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এই ধরনের ব্যবস্থাপনা বড় বড় সংকট মোকাবিলা করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়।

৪. অর্থনৈতিক লুটপাট, দুর্নীতি ও বৈষম্যের পাহাড়

অর্থনৈতিক অস্থিরতা হলো রাজনৈতিক অস্থিরতার যমজ ভাই। উন্নয়নশীল বিশ্বে  অস্থিরতার কারণ হিসেবে আরও বলা যেতে পারে, সেইসব দেশে গালভরা স্লোগান থাকলেও তার সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় না।

সম্পদের পাচার ও চরম দুর্নীতি:

এই দেশগুলোর সবচেয়ে বড় অভিশাপ হলো লাগামহীন দুর্নীতি। জাতীয় সম্পদের একটি বড় অংশ ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী এবং তাদের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা বিদেশে পাচার করে দেয়। ফলে দেশের ভেতরে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়।

বেকারত্ব ও তরুণদের ক্ষোভ:

উন্নয়নশীল দেশের বিশাল এক অংশ তরুণ। কিন্তু যখন কর্মসংস্থান তৈরি হয় না এবং উন্নয়নের সুবিধা শুধু একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে সীমাবদ্ধ থাকে, তখন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তীব্র হতাশা দানা বাঁধে। এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভই যেকোনো সময় বড় ধরনের সামাজিক বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।

দরিদ্র ও ধনীর আকাশচুম্বী ব্যবধান:

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার ব্যবধান দ্রুত বাড়ছে। সম্পদের এই চরম অসম বণ্টন মানুষের মধ্যে হীনম্মন্যতা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে, যা যেকোনো ছোট ইস্যুকে কেন্দ্র করে বড় অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে।

৫. ভূ-রাজনীতির দাবার গুটি ও বিদেশি হস্তক্ষেপ

উন্নয়নশীল দেশগুলোর অস্থিরতা সবসময় শুধু অভ্যন্তরীণ কারণে হয় না; এর পেছনে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির (Geopolitics) প্রভাবও অপরিসীম।

বৃহৎ শক্তিগুলোর লড়াই:

যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা রাশিয়ার মতো পরাশক্তিগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নিজেদের প্রভাব বলয় বাড়ানোর চেষ্টা করে। বিশেষ করে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ দেশগুলোতে তারা নিজেদের অনুগত সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। এই ক্ষমতার দ্বন্দ্বে অনেক সময় স্থানীয় সরকারকে অস্থিতিশীল করে তোলা হয়।

সার্বভৌমত্বের সংকট:

ভূ-রাজনৈতিক চাপে পড়ে অনেক দেশের সরকার এমন সব সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় যা দেশের জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী। ভারসাম্যহীন কূটনীতির কারণে দেশগুলো অনেক সময় প্রতিবেশী দেশ বা পরাশক্তিগুলোর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়, যা জাতীয় স্থিতিশীলতা নষ্ট করে।

৬. তথ্যপ্রবাহের অপব্যবহার ও সামাজিক মেরুকরণ

বর্তমান যুগ তথ্যের যুগ, কিন্তু এই তথ্যই অনেক সময় উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব:

ইউটিউব এবং ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো সহজ হয়ে গেছে। গুজব বা অপতথ্য মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মানুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। উন্নয়নশীল দেশে যেখানে শিক্ষার হার বা সচেতনতা কম, সেখানে এই ধরনের অপপ্রচার দাঙ্গা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে অনুঘটকের কাজ করে।

এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অন্য আর্টিকেল পড়ুন:

‘মোল্টবুক’ (Moltbook): এআই বটের নিজস্ব স্বর্গরাজ্য যেখানে মানুষের প্রবেশ নিষেধ! কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন এক বিস্ময়কর দিগন্ত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সংকোচন:

অনেক দেশে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। যখন সত্য খবর প্রকাশের পথ বন্ধ হয়ে যায়, তখন মানুষ গুজবের ওপর নির্ভর করে, যা সামাজিক অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

স্থায়ী শান্তির পথ: উত্তরণের উপায় কী?

এই গোলকধাঁধা থেকে বের হওয়ার কোনো যাদুর কাঠি নেই, তবে দীর্ঘমেয়াদী কিছু পদক্ষেপ এই অন্ধকার দূর করতে পারে:

১. রাজনৈতিক পরমতসহিষ্ণুতা: বিরোধীদের শত্রু মনে না করে অংশীদার হিসেবে দেখার মানসিকতা তৈরি করা।

২. অবাধ নির্বাচনী ব্যবস্থা: ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য মডেল নিশ্চিত করা।

৩. দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা: পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

৪. স্বাধীন প্রতিষ্ঠান: বিচার বিভাগ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা।

৫. জাতীয় ঐকমত্য: প্রধান প্রধান জাতীয় ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

উন্নয়নশীল বিশ্বে অস্থিরতা: এটাই কি আমাদের নিয়তি?

উন্নয়নশীল বিশ্বের অস্থিরতা কোনো অমোঘ নিয়তি নয়, বরং এটি ভুল নীতি এবং সংকীর্ণ রাজনীতির ফসল। ইত্তেফাক-এর সেই আর্টিকেলের সুর ধরেই বলা যায়, যতক্ষণ পর্যন্ত একটি রাষ্ট্র আমজনতার কল্যাণে নিরাসক্তভাবে কাজ না করবে এবং যতক্ষণ না পর্যন্ত ‘ক্ষমতা’র চেয়ে ‘দেশ’ বড় হয়ে উঠবে, ততক্ষণ এই অস্থিরতার বিষবৃত্ত থেকে মুক্তি মিলবে না। তবে অন্ধকার যত গভীরই হোক, মানুষের আকাঙ্ক্ষা সবসময়ই মুক্তির দিকে। একদিন হয়তো এই দেশগুলো বিভ্রান্তির বেড়াজাল ছিন্ন করে একটি সুশৃঙ্খল, গণতান্ত্রিক এবং শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে—বিশ্ববাসীর সাথে আমরাও সেই দিনের অপেক্ষায়।

তথ্যসূত্র ও কৃতজ্ঞতা
এই নিবন্ধটি তৈরিতে নিচের গুরুত্বপূর্ণ উৎসসমূহ থেকে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে:

মূল নিবন্ধ:উন্নয়নশীল বিশ্বে কেন অস্থিরতার অবসান হয় না” – সম্পাদকীয় কলাম, দৈনিক ইত্তেফাক (অনলাইন সংস্করণ)।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ: বিশ্বজুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোর গণতান্ত্রিক সংকট ও প্রাতিষ্ঠানিক ভঙ্গুরতা সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং রাজনৈতিক সংবাদ বিশ্লেষণ।

ভিডিও রিসোর্স: ইউটিউবে প্রকাশিত উন্নয়নশীল বিশ্বের ভূ-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম (যেমন: আল-জাজিরা, বিবিসি এবং ডিডব্লিউ নিউজ) এর বিশেষ প্রতিবেদনসমূহ।

আর্থ-সামাজিক তথ্য: উন্নয়নশীল দেশসমূহের দারিদ্র্য ও দুর্নীতি বিষয়ক বৈশ্বিক সূচক ও পরিসংখ্যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *